মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্ব কাঠামো পুরোপুরি বদলে ফেলার ঘোষণা দিলেও দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থা উপড়ে ফেলা প্রায় অসম্ভব বলে মনে করছে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স কাউন্সিলের একটি শ্রেণিবদ্ধ (ক্লাসিফাইড) প্রতিবেদনের বরাতে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েও তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে ক্ষমতাচ্যুত করা যাবে না। মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক অভিযান শুরুর এক সপ্তাহ আগে সম্পন্ন হওয়া এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীর্ষস্থানীয় নেতাদের হত্যা করা হলেও ইরানের শাসনব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার জন্য অত্যন্ত মজবুত ও কার্যকর প্রোটোকল আগে থেকেই তৈরি করে রাখা হয়েছে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিরোধী দলগুলো বর্তমানে অত্যন্ত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে, যার ফলে তাদের পক্ষে ক্ষমতা দখল করা বা বড় কোনো গণঅভ্যুত্থান ঘটানো আপাতত অবাস্তব।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজের ব্যক্তিগত অনুমোদনের শর্ত জুড়ে দিয়েছেন। এর আগে ভেনেজুয়েলার ডেলসি রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বসানোর উদাহরণ টেনে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনেইর স্থলাভিষিক্ত হওয়া তার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি এমন একজনকে ইরানের নেতৃত্বে দেখতে চান যিনি দেশটির বর্তমান নীতি পরিবর্তন করে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখবেন। অন্যথায় পাঁচ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও যুদ্ধে জড়াতে হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।